শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা সিলেটের অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান হুমায়দী বলেছেন, অধ্যক্ষ মাওলানা ফরীদ উদ্দিন চৌধুরী (রহ.) ছিলেন ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের পথিকৃৎ। তাঁর প্রতিষ্ঠিত অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর বাস্তব সাক্ষী। তিনি আন্তরিকতা, প্রজ্ঞা ও সাহসের সাথে কাজগুলো করে গিয়েছেন। তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ব্যক্তি, দক্ষ সংগঠক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। সংসদ সদস্য হিসেবে যোগ্যতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গিয়েছেন। সিলেটের প্রথম অত্যাধুনিক শপিং কমপ্লেক্স 'আল-হামরা' তাঁরই অনন্য প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে।
তিনি বুধবার দুপুরে শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা সিলেট কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের সাবেক রেক্টর ও গভর্ণিং বডির সাবেক চেয়ারম্যান এবং সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা ফরীদ উদ্দিন চৌধুরী (রহ.) স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ফারুক মিয়া।
স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা পেশ করেন জামেয়ার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, উপাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত) মাওলানা কমর উদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুন নূর, ফরীদ উদ্দীন চৌধুরীর (রহ.) ছেলে ব্যাংকার নাজমুস সাকিব চৌধুরী ও জামেয়ার সাবেক ছাত্র প্রতিনিধি মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।
স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা পেশ করতে গিয়ে উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার বলেন, ফরীদ চৌধুরীর (রহ.) মূল পরিচয় তিনি ছিলেন আপাদমস্তক একজন দাঈ ইলাল্লাহ। সুখে-দুঃখে নিজ জনপদের মানুষের নিত্যসঙ্গী।
মাওলানা কমর উদ্দীন বলেন, তিনি সদা পরিপাটি থাকতেন। তাঁর কথাবার্তা ও আচরণে তা স্পষ্ট ফুটে ওঠতো।
মাওলানা আব্দুন নূর বলেন, তিনি বিতর্কিত কথাবার্তা এড়িয়ে চলতেন।
মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার বলেন, তিনি বিনয়ী ও নম্র স্বভাবের মানুষ ছিলেন। অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ বর্জন করে চলতেন।
ফরীদ চৌধুরীর (রহ.) ছেলে নাজমুস সাকিব চৌধুরী সবার কাছে বাবার জন্য দোয়া চেয়ে বলেন, আল্লাহ তা'য়ালা! আব্বাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করে নিন; আমীন।