ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হলগুলোর সিট বণ্টন নীতিমালা পরিবর্তনের গুঞ্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করছেন ডাকসু নেতারা।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে তারা এই বিক্ষোভ ও ঘেরাও কর্মসূচি শুরু করেন।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতারা "শিক্ষার্থীবান্ধব স্বচ্ছ সিট নীতিমালা প্রণয়নের" দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছেন।
ডাকসু নেতাদের অভিযোগ, অনার্সে দুই বছর এবং মাস্টার্সে এক বছর রি-অ্যাডমিশনসহ আবাসিক সুবিধা দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। তাদের দাবি, এর ফলে ক্যাম্পাসে পুনরায় 'গণরুম ও গেস্টরুম' প্রথা ফিরে আসবে এবং একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠন হলে আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ পাবে।
শিক্ষার্থীরা সিনেট ভবনের কনফারেন্স রুমের বাইরে অবস্থান নিয়ে "স্বচ্ছ নীতিমালা, দিতে হবে দিয়ে যাও", "গণরুমের পাঁয়তারা, রুখে দেবে ছাত্ররা", "আবাসনে রিঅ্যাড, চলবে না চলবে না" ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ডাকসু নেতারা শাহবাগ থানায় তাদের ওপর হওয়া একটি হামলার ঘটনার সুরাহা না হওয়ায় উপস্থিত সহকারী প্রক্টরদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।
কর্মসূচিতে ডাকসুর ছাত্র পরিবহন বিষয়ক সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ, ক্যারিয়ার বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।