বাংলাদেশে নতুন প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) নিয়ে এলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা মধ্যস্থতাকারী ১.৫ শতাংশ হারে ইনসেনটিভ (কনসালটেন্সি ফি বা কমিশন) পাবেন—এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে এমপি জোহরাৎ আদীব চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, দেশি কিংবা বিদেশি যে কোনো নাগরিক যদি বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই নিয়ে আসতে পারেন, তবে বিনিয়োগ করা সেই অর্থের ওপর ১.৫ শতাংশ হারে ইনসেনটিভ বা কমিশন দেওয়া হবে।
বিদেশে বসবাসরত যোগ্য ও মেধাবী প্রবাসী বাংলাদেশি অর্থাৎ ডায়াসপোরাদের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে সরকার এই বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রবাসীরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে আরও বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
এই উদ্যোগটি 'ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (FDI) ইনসেনটিভ স্কিম পলিসি, ২০২৬'-এর অংশ, যা অতি সম্প্রতি ৪ জুন ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিসভার বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে জানান, আগে লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জটিলতার কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অনীহা দেখাতেন। বর্তমান সরকার আইনি সংস্কারের মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করেছে। বিনিয়োগের পরিবেশ আরও সহজ করতে আমদানি ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদ সম্পূর্ণ অনলাইনে এবং দ্রুততম সময়ে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি 'আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯' রিভাইজ করা হচ্ছে।