যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে নিরাপত্তা ও ভিড় ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে কানসাস সিটিতে একটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্র বা কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন, যা ইতোমধ্যে ‘বিশ্বকাপ জেল’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। স্থানীয় পর্যটন সংস্থা ‘ভিজিট কেসি’ জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট চলাকালে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার দর্শনার্থী ক্যানসাস সিটি সফর করবেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, বড় ইভেন্টে ছোটখাটো অপরাধ, বিশৃঙ্খলা ও আইন লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়তে পারে। এসব পরিস্থিতি সামাল দিতেই ১০০ আসনের একটি অস্থায়ী জেল তৈরির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে স্থায়ী কারাগার না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এর জন্য খরচ ধরা হয় ২ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা প্রায় ২৪৫ কোটি টাকা। ২০০৯ সাল থেকে কানসাস সিটিতে কোনও কারাগার নেই। সেখানকার পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করলে প্রাথমিক ভাবে থানায় রাখা হয়। প্রয়োজনে বন্দিদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় পার্শ্ববর্তী জনসন কাউন্টি বা ভেরনন কাউন্টির কারাগারে। দু’টিই প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে। ১০০ আসনের এই জেলটি ১ জুন চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই ‘বিশ্বকাপ জেল’ বিশ্বকাপের আগে চালু হচ্ছে না। যা নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতা ছিল আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) আইন-বিরোধী আন্দোলনরতদের। আইসিই ব্যবহার করে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অবৈধ অভিবাসীদের আটক করা হয়। এদিকে, কাউন্সিলম্যান রজার্স দ্য অ্যাথলেটিককে বলেন, ‘কানসাস দেশের সবচেয়ে বড় শহর যেখানে কোনো জেল নেই এবং আমাদের একটি জেল দরকার।
ফুটবল
বিশ্বকাপকে ঘিরে কারাগার বানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে নিরাপত্তা ও ভিড় ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে কানসাস সিটিতে একটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্র বা কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন,