আজ ১ জুলাই ১০৬তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। দিনব্যাপী নানা বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হবে। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।’

এরই মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে। ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও অভিভাবক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা ভিসির সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রা সহকারে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। সেখান থেকে সকাল ৯টা৪৫ মিনিটে ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে। শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেবেন। সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনের চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন এবং কেক কাটা হবে। এসময় সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং এবং রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুল সংগীত পরিবেশিত হবে। এছাড়া, বিদেশী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অন্য একটি সংগীত পরিবেশিত হবে।

সকাল সাড়ে ১০ ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আজ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সব ক্লাস বন্ধ থাকবে, তবে পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে বুধবার বিকাল ৩টায় অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলানায়তনে এক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আজ বেলা আড়াইটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যানবাহন প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। তার পলাশী থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে হাইকোর্ট মোড়ের রাস্তা উন্মুক্ত থাকলেও। তবে গণপরিবহন এবং ভারী যানবাহন প্রবেশ সবসময়ই নিয়ন্ত্রিত থাকবে।